তিনি বলেন, হাজীদের সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে হজ সম্পন্ন নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের কর্মচারী হিসেবে আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। এক্ষেত্রে কোনো ধরনের গাফিলতি বরদাশত করা হবে না।
রোববার বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হজ ব্যবস্থাপনা অগ্রগতি বিষয়ক পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, হজ ফ্লাইট পরিচালনা, ইমিগ্রেশন প্রক্রিয়া, লাগেজ ব্যবস্থাপনা, ক্যাম্পে থাকা-খাওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবাসহ প্রতিটি ক্ষেত্রে সমন্বিত তদারকি জোরদার করতে হবে। যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আগাম প্রস্তুতি সম্পন্ন করার নির্দেশও দেন তিনি।
সভায় প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘উপযুক্ত ব্যক্তি উপযুক্ত স্থানে দায়িত্ব পালন করছেন কিনা, তা আমরা নিশ্চিত করব।’
তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের জবাবদিহিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী শিগগিরই হজ ক্যাম্প পরিদর্শন করে সার্বিক অবস্থা সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সভায় আসন্ন হজ মৌসুমে ফ্লাইটের চাপ বিবেচনায় হজ ফ্লাইটের ফ্রিকোয়েন্সি বৃদ্ধির বিষয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহণ ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসরীন জাহান, ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সভায় সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার, দ্রুত সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন এবং হজযাত্রীদের সেবার মান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।
