শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

চট্টগ্রাম বন্দরে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক

চট্টগ্রাম বন্দরে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক

চট্টগ্রাম বন্দরে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক


আগামীকাল (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে চট্টগ্রাম বন্দরে লাগাতার ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ।


শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন সংগ্রাম পরিষদের দুই সমন্বয়ক হুমায়ুন কবীর ও ইব্রাহিম খোকন। এবারের কর্মসূচিতে বন্দরের বহির্নোঙরেও কাজ বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

 

 

তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র চট্টগ্রাম বন্দরকে কোনোভাবেই বিদেশি কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত শ্রমিক-কর্মচারীরা মেনে নেবে না। বন্দরের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনে আরও কঠোর আন্দোলনের পথ বেছে নেওয়া হবে।

 

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সমন্বয়ক ইব্রাহীম খোকন জানান, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। প্রয়োজনে পরিস্থিতি অনুযায়ী কর্মসূচি আরও জোরদার করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।    

 

সংগ্রাম পরিষদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল কোনোভাবেই বিদেশি প্রতিষ্ঠান ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা না দেওয়া, এ বিষয়ে সরকারের স্পষ্ট ঘোষণা, আন্দোলনরত শ্রমিক-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া সব ধরনের শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার, ভবিষ্যতে কোনো আইনগত পদক্ষেপ না নেওয়ার নিশ্চয়তা এবং চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানকে প্রত্যাহার।

 

এর আগে একই দাবিতে কয়েক দিন ধরে বন্দর এলাকায় টানা কর্মবিরতি ও অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন শ্রমিক-কর্মচারীরা। এতে বন্দরের জেটিতে পণ্য ওঠানামা কার্যত বন্ধ হয়ে যায়। ফলে ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট মহলে উদ্বেগ দেখা দেয়।

পরিস্থিতি সামাল দিতে সরকারের পক্ষ থেকে আলোচনার আশ্বাস দেওয়া হলে দুই দিনের জন্য কর্মসূচি স্থগিত রাখা হয়। তবে আলোচনায় কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি না হওয়ায় আবারও অনির্দিষ্টকালের লাগাতার ধর্মঘটের ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।