শনিবার, নভেম্বর ৭, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন, বিজয়ের দিনে কাঁদলো পরিবার

বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন, বিজয়ের দিনে কাঁদলো পরিবার

বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন, বিজয়ের দিনে কাঁদলো পরিবার

বাঙালি ৫৪তম বিজয় উদযাপনে যখন আর বাকি মাত্র একটি রাত, তখনই ঘটলো এক অমানবিক ঘটনা। একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার কবরে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্ত। সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে শরীয়তপুর সদর উপজেলার আংগারিয়া ইউনিয়নের নিয়ামতপুর গ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খানের কবরে এই আগুনের ঘটনা ঘটে।

মুক্তিযোদ্ধার পরিবার জানায়, গভীর রাতে দুর্বৃত্ত কবরের ওপর শুকনো গাছের ডাল ও পাতা ফেলে আগুন লাগিয়ে দেয়। 

পরিবার জানায়, নিয়ামতপুর গ্রামের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নান খান ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেন। তিনি ২০১০ সালের আট জানুয়ারি মৃত্যুর পরে পারিবারিক সিদ্ধান্তে বাড়ির বসত ঘরের পাশেই তাকে দাফন করা হয়। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার সকালে স্বামীর কবর জিয়ারত করতে গিয়ে তার স্ত্রী মাহফুজা বেগম কবরের ওপর পোড়া ছাই ও আগুনের চিহ্ন দেখে তিনি চিৎকার দেন। পরে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে তার মেয়ে স্থানীয় প্রশাসন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের জানান।

মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী স্ত্রী মাহফুজা বেগম সাংবাদিকদের বলেন, একজন সম্মানিত ব্যক্তির কবরের সঙ্গে কার কী শত্রুতা থাকতে পারে? আমার স্বামী মুক্তিযোদ্ধা বলেই কি এমন অবস্থা? আমি এর বিচার কার কাছে চাইবো? বিজয় দিবসের আনন্দের দিনে আমরা পুরো পরিবার কাঁদছি।

আ. মান্নানের মেয়ে আফরোজা আক্তার সাংবাদিকদের বলেন, মায়ের চিৎকার শুনে বাবার কবরের পাশে ছুটে যাই। সেখানে দেখি, কবরের ওপরে খানিকটা জায়গাজুড়ে ছাই পড়ে আছে। সদ্য নিভে যাওয়া আগুনের ছাই। তখনো ছাই থেকে অল্প ধোঁয়া বের হচ্ছিলো। তাৎক্ষণিক আমি ঘটনাটি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ও মুক্তিযোদ্ধাদের জানাই। কারা কী উদ্দেশ্য নিয়ে এ কাজ করেছে, তা বুঝতে পারছি না। তবে ঘটনাটিতে আমরা মর্মাহত ও শঙ্কিত হয়ে পড়েছি।

শরীয়তপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইলোরা ইয়াসমিন সাংবাদিকদের বলেন, বিজয় দিবসের অনুষ্ঠান শেষ করে আমি ওই মুক্তিযোদ্ধার বাড়িতে লোক পাঠাব। ঘটনাটির বিস্তারিত খোঁজ নেবো।