রবিবার, জুন ২১, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

বিশ্বকাপের মাঝে দেশে ফেরার ‘আবদার’ ডকুর

বিশ্বকাপের মাঝে দেশে ফেরার ‘আবদার’ ডকুর

বিশ্বকাপের মাঝে দেশে ফেরার ‘আবদার’ ডকুর

বেলজিয়ামের আক্রমণভাগের অন্যতম ভরসার নাম জেরেমি ডকু। ম্যানচেস্টার সিটির এই লেফট উইঙ্গারের জায়গা পূরণ করার মতো ফুটবলার নেই বেলজিয়াম ক্যাম্পে। বিষয়টি জেনেও জুলাইয়ের মাঝামাঝি দেশে ফিরে যাওয়ার আবদার জানিয়ে রেখেছেন তিনি। 

ডকুর দেশে ফিরতে চাওয়ার কারণও অবশ্য যৌক্তিক। তার স্ত্রী সন্তান সম্ভবা। পৃথিবীতে প্রথম সন্তানকে স্বাগত জানাতে যাচ্ছেন তারা। বিশেষ ওই মুহূর্তে স্ত্রীর পাশে থাকতে চান ডকু। কিন্তু বেলজিয়াম বিশ্বকাপে প্রত্যাশিত সাফল্য পেলে তখন টুর্নামেন্টের কোয়ার্টার ফাইনাল চলবে।  

বেলজিয়াম কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত যেতে পারলে এবং ডকু না থাকলে দলের জন্য তা বড় ধাক্কা হবে। যে কারণে ডকুর ছুটি চাওয়ার পক্ষে-বিপক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা আলোচনা হচ্ছে। কেউ বলছেন- সন্তান জন্ম দানের সময় পুরুষের পাশে থাকা অপ্রয়োজনীয়। আবার কারো মতে, বিশ্বকাপ কদিন পরেই শেষ হয়ে যাবে, মানুষ ভুলেও যাবে। কিন্তু সন্তান সারা জীবনের বিষয়। এই মুহূর্তের সাক্ষী হওয়াও গুরুত্বপূর্ণ। 

বিষয়টি নিয়ে ডকু বলেছেন, ‘আমার প্রথম সন্তান জন্ম নিতে যাচ্ছে, অবশ্যই আমি সেখানে থাকতে চাইব। আমাকে প্রশ্ন করলে বলব, কেউ সন্তানের জন্মক্ষণের মুহূর্ত মিস করতে চায় না। তবে আমি এও জানি, ফুটবলের সঙ্গে অনেক কিছু জড়িত। আমি জানি ফেডারেশন ফুটবলারদের এসব ক্ষেত্রে পাশে থাকে এবং পরিস্থিতিটা বোঝে। দেখা যাক, আমার ক্ষেত্রে কী হয়।’

ডকুর দেশে ফিরতে চাওয়াকে সমালোচনা করে ফ্রান্সের সংবাদ মাধ্যমে লেকিপের উপস্থাপিক ফ্রাঞ্জ পিয়েরন বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ অসাধারণ আনন্দের মঞ্চ। শতশত ফুটবলার ডকুর জায়গায় খেলার জন্য জীবনবাজি রেখে লড়াই করেছে। এটা হয়তো জীবনে একবারই আসে। সন্তান জন্মদানের সময় পুরুষের পাশে থাকা একেবারেই অহেতুক।’ 

তার জবাবে সাবেক বাস্কেটবল তারকা ব্রাহিম আসলুম এক্সে লিখেছেন, ‘বিশ্বকাপ শেষ হলেই তো শেষ। সন্তান সারা জীবনের জন্য।’ পরেই অবশ্য ভিন্ন সুরে কথা বলেছেন পিয়েরন, ‘আমি কেবল ব্যক্তিগত মতামত দিয়েছি। সন্তানের ক্ষেত্রে বাবার ভূমিকা ছোট করে দেখা আমার উদ্দেশ্য ছিল না।’