বিরতি কাটিয়ে ওটিটিতে ফিরছেন বিদ্যা সিনহা মিম। ২১ জুন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পাবে ওয়েব ফিল্ম ‘লাইফলাইন’। এতে মিম অভিনীত চরিত্রের নাম অনন্যা। ‘পরাণ’ সিনেমায়ও তাঁর চরিত্রের নাম ছিল অনন্যা। নাম এক হলেও চরিত্র দুটি একেবারে ভিন্ন। ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে মিমের সঙ্গে কথা বলেছেন শিহাব আহমেদ।
প্রায় তিন বছর পর ওটিটিতে আপনার কোনো কাজ মুক্তি পাচ্ছে। কোনো চাপ অনুভব করছেন?একদমই না। আসলে ভালো গল্প ও চরিত্রের জন্য অপেক্ষা করছিলাম। যখন ব্যাটে-বলে মিলেছে তখনই কাজ করেছি। এর মাঝে একটা গ্যাপ হয়ে গেছে। তবে একেবারেই যে কোনো কাজ করিনি, তা-ও নয়। ‘দিগন্তে ফুলের আগুন’ নামের সিনেমার কাজ শেষ করেছিলাম। ঠিক সময়ে এটা মুক্তি পেলে এই গ্যাপটা আর মনে হতো না।
লাইফলাইনের গল্প কী নিয়ে?
নামটি শুনেই বোঝা যায়, এটা একটা লাইফের জার্নি। ফিল্মটির থিমেটিক পোস্টার যদি খেয়াল করেন, দেখবেন বালুঘড়ির মধ্যে অনন্যা চরিত্রটি বসে আছে। অর্থাৎ সে সময়ের মধ্যে আটকে আছে কিংবা এমন এক সময়ের মুখোমুখি, যা তাকে অতিক্রম করতে হবে। সে পারবে কি পারবে না, সেটাই গল্পের বড় প্রশ্ন।
ট্রেলারে দেখা গেল, আপনি কাউকে খুঁজে বেড়াচ্ছেন?
কাকে খুঁজছি, তা বলা যাবে না। মুক্তির পর দর্শক সিনেমাটি দেখলেই জানতে পারবে, কাকে খোঁজার মিশনে আমার অভিনীত অনন্যা চরিত্রটি নেমেছে।
এর আগে ‘মিশন হান্টডাউন’ সিরিজে আপনার অভিনীত নীরা চরিত্রটিও তার স্বামীকে খুঁজতে বেরিয়েছিল। দুটি কনটেন্টের গল্প মিলে গেল কি?
কোনো মিল নেই। দুটি একেবারেই ভিন্ন গল্প। এটাই দর্শকের জন্য সারপ্রাইজ। লাইফলাইনের গল্পে সেই সারপ্রাইজ দর্শকের পছন্দ হবে বলে আমার বিশ্বাস।
লাইফলাইনের শুটিং অভিজ্ঞতা কেমন ছিল?
একদম অজপাড়াগাঁয়ে শুটিং হয়েছে। কুয়াকাটার অনেক ভেতরে এক চর এলাকায়, যেখানে বাড়িঘর নেই বলতে গেলে। মোটরসাইকেলে করে আমরা যে জায়গাগুলোতে গিয়েছি, সেখানে অনেক সরু রাস্তা। মাঝে মাঝে মনে হতো, এই মনে হয় পড়ে যাব। প্রথমে একটু ভয় কাজ করছিল। কারণ, এ রকম রাস্তায় মোটরসাইকেলে চড়তে আমি অভ্যস্ত না। একে তো উঁচু-নিচু মাটির রাস্তা, তার ওপর প্রচণ্ড গরম। এক-দুইটা দৃশ্য করার পরই সবার অবস্থা খারাপ হয়ে যেত। কিন্তু যখন দেখতাম দৃশ্যটি ভালো হয়েছে, তখন আবার নতুন উদ্যমে কাজে নেমে পড়তাম।
ট্রেলার ও একটি গান মুক্তি পেয়েছে। কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
সবাই বলছে ভিন্ন ঘরানার একটি কাজ আসছে। এ ছাড়া কাছের অনেকে যাঁরা রিলিজের আগে কাজটি দেখেছেন, তাঁরা অনেক প্রশংসা করছেন। অনেকেই বলছেন, পরাণের পর আমার আরেকটি ভিন্ন ধরনের কাজ পেতে যাচ্ছে দর্শক। খুব আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি দর্শকের প্রতিক্রিয়ার জন্য।