শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ১৯ এমপির তালিকা এনডিটিভির হাতে

মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ১৯ এমপির তালিকা এনডিটিভির হাতে

মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করা ১৯ এমপির তালিকা এনডিটিভির হাতে

  নিউজ ডেস্ক :   

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের ভরাডুবির পর দলটির অভ্যন্তরীণ সংকট আরও গভীর হয়েছে। দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়ে অন্তত ১৯ জন তৃণমূল সাংসদ বিজেপি জোটের সঙ্গে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে দাবি করেছে ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যম

শুক্রবার (১২ জুন) সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের হাতে আসা একটি চিঠিতে ১৯ জন সাংসদের স্বাক্ষর রয়েছে। তাদের মধ্যে কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, সায়নী ঘোষ এবং ইউসুফ পাঠানের মতো পরিচিত মুখও আছেন। তৃণমূলের একাধিক সূত্রের দাবি, খুব শিগগিরই আরও একজন প্রভাবশালী নেতা এই বিদ্রোহী গোষ্ঠীতে যোগ দিতে পারেন।

গত ১৮ মে লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে পাঠানো চিঠিতে বিদ্রোহী সাংসদরা নিজেদের তৃণমূল কংগ্রেস থেকে আলাদা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং শাসক জোট এনডিএর সঙ্গে থাকার আগ্রহের কথা জানান। এর দুই দিন পর, ২০ মে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে পাঠানো আরেকটি চিঠিতে কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবর্তে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে দলের প্রধান হুইপ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।

এর আগে কাকলি ঘোষ দস্তিদার স্বীকার করেছিলেন যে তৃণমূলের একদল সাংসদ দল ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। যদিও তখন তিনি কোনো নাম প্রকাশ করেননি, তবে সংসদে আলাদা বসার ব্যবস্থা চাওয়া এবং বিজেপিকে সমর্থনের ইঙ্গিত দেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন।

এদিকে ইতোমধ্যে তিনজন সাংসদ পদত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ বারাইক। এর আগে ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুশ্মিতা দেব এবং ৮ জুন পদ ছাড়েন সুখেন্দু রায়। তবে তারা বিদ্রোহী গোষ্ঠীর চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূল কংগ্রেসের ২৮ জন সাংসদ রয়েছেন। দলত্যাগবিরোধী আইন এড়াতে এবং আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি পেতে হলে কমপক্ষে ১৯ জন সাংসদের সমর্থন প্রয়োজন। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তাদের কাছে সেই প্রয়োজনীয় সংখ্যাটি রয়েছে।

তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগত সাংসদ কীর্তি আজাদ বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিজেপির চাপ ও প্রলোভনের অভিযোগ তুলেছেন। তার দাবি, কয়েকজন সাংসদকে ভয়ভীতি দেখিয়ে চিঠিতে স্বাক্ষর করানো হয়েছে। বিজেপির ‘অপারেশন লোটাস’-এর সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘যারা যেতে চায় তারা যাক, কিন্তু তারা কখনোই আসল তৃণমূল হতে পারবে না।’