শুক্রবার, জুন ১২, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

পাল্টাপাল্টি হামলার কারণ নিয়ে যা বলছে ইরান-ইসরায়েল

পাল্টাপাল্টি হামলার কারণ নিয়ে যা বলছে ইরান-ইসরায়েল

পাল্টাপাল্টি হামলার কারণ নিয়ে যা বলছে ইরান-ইসরায়েল

 নিউজ ডেস্ক :   

ইসরায়েলে ইরানের চালানো হামলার কারণ হিসেবে দুটি বিষয় সামনে এসেছে। একটির কথা আইআরজিসির মুখপাত্র সরাসরি উল্লেখ করেছেন। অন্য একটি কারণের কথা জানিয়েছে আইআরজিসি ঘনিষ্ঠ বার্তা সংস্থা ফার্স।

আইআরজিসির বরাত দিয়ে ফার্স জানিয়েছে, রাডার স্টেশনগুলোতে হামলার জবাব হিসেবে ইরান ইসরায়েলের নেভাতিম ও তেল নোফ বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। তবে বাহিনীটির মুখপাত্র ইব্রাহিম জোলফাগারি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে বলেছেন, ইসরায়েল লেবাননে হামলা চালিয়ে বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। তাদের অবশ্যই দক্ষিণ লেবানন এবং বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে হামলা বন্ধ করতে হবে।

লেবাননে তেল আবিবের হামলার প্রতিশোধ নেওয়ার কথাটি উঠে এসেছে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত ইয়েখিয়েল লেইটারের এক্স পোস্টেও। তিনি দাবি করেছেন, লেবাননে হিজবুল্লাহকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলের চালানো হামলার প্রতিশোধ নিতেই ইরান ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

ইসরায়েলের হামলার বিষয়ে ইয়েখিয়েল লেইটার বলেন, ‘ইরান ১১টি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। এই উন্মাদ ইরানি সরকারের কর্মকাণ্ডে প্রত্যেকেই অতিষ্ঠ।’ তিনি জানান, ইসরায়েল মূলত ইরানের ‘সারফেস-টু-সারফেস’ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ কেন্দ্র এবং অবকাঠামোগত স্থাপনা লক্ষ্য করে আঘাত হানছে।

এদিকে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, ইসরায়েলের সামরিক পদক্ষেপগুলোকে কোনোভাবেই মার্কিন নীতির বাইরে রেখে দেখার সুযোগ নেই। তাই সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জন্য যুক্তরাষ্ট্রই দায়ী।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই সোমবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় না করেই ইসরায়েল কোনো পদক্ষেপ নেবে- এ কথা কেউ বিশ্বাস করে না। তাই উত্তেজনা বৃদ্ধির ফলে যেকোনো পরিণতির জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে দায়ী থাকতে হবে।

ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে পাল্টাপাল্টি এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শুরুর দিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে ফিন্যান্সিয়াল টাইমস। সেখানে নেতানিয়াহুকে ইঙ্গিত করে ট্রাম্প বলেন, ‘সিদ্ধান্ত আমি নেই। তিনি সিদ্ধান্ত নেন না।’ 

ট্রাম্প ইরান ও ইসরায়েলকে শান্ত থাকারও আহ্বান জানিয়েছেন। ফক্স নিউজকে দেওয়া পৃথক এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ইরানের প্রতি আমার পরামর্শ হবে, আপনারা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছেন। এবার ওখানেই থামুন। আলোচনার টেবিলে ফিরে এসে একটি চুক্তি করুন।’