ইন্টার্ন ভাতা বৃদ্ধি ও কর্মস্থলে নিরাপত্তাসহ পেশাগত বিভিন্ন বৈষম্য দূরীকরণের লক্ষ্যে ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছেন ২৫০ শয্যা হাসপাতালের ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। আজ ৮ জুন দুপুরে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে ‘ইন্টার্ন ডক্টরস এসোসিয়েশন জামেকহা ’-এর ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
ইন্টার্ন চিকিৎসকদের ৬টি মূল দাবি:
১. স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের বিতর্কিত এফসিপিএস (FCPS) ট্রেনিং সংক্রান্ত নির্দেশিকা প্রত্যাহার করে নতুন যুগোপযোগী নীতিমালা প্রণয়ন।
২. কর্মস্থলে চিকিৎসকদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে 'স্বাস্থ্যকর্মী সুরক্ষা আইন' পাস এবং দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের আওতায় অপরাধীদের শাস্তি নিশ্চিত করা।
৩. বর্তমান বাজারমূল্যের সাথে সামঞ্জস্য রেখে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের মাসিক ভাতা বৃদ্ধি করে ৩০,০০০ টাকা নির্ধারণ।
৪. বিসিএস (BCS) স্বাস্থ্য ক্যাডারে প্রবেশের বয়সসীমা বৃদ্ধি করে ৩৪ বছর করা।
৫. বিএমডিসি (BMDC) অধ্যাদেশকে পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপান্তর করে ভুয়া ও অবৈধ চিকিৎসকদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া।
৬. বিসিপিএস এবং বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত সকল ভর্তি পরীক্ষার ফি সর্বোচ্চ ১,০০০ টাকার মধ্যে নির্ধারণ করা।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইন্টার্ন চিকিৎসক নেতারা বলেন, হাসপাতালে যেকোনো রোগীর সেবায় দিন-রাত প্রথম সারিতে থেকে আমরা কাজ করি। অথচ আমাদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মৌলিক অধিকারগুলো বারবার উপেক্ষিত হচ্ছে। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের বাজারে যে ভাতা দেওয়া হয়, তা অত্যন্ত অমানবিক। তারা আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। অনতিবিলম্বে যদি এই যৌক্তিক ৬ দফা দাবি মেনে নেওয়া না হয়, তবে সাধারণ রোগীদের চিকিৎসা সেবা সচল রেখেই দেশব্যাপী কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে আরও কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হব।
মোঃ বিজয়, জামালপুর জেলা প্রতিনিধি
