জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিরাজগঞ্জ জেলা সমন্বয় কমিটির অনুমোদন করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। ৮৬ সদস্যবিশিষ্ট কমিটিতে বিএনপি ও গণঅধিকার পরিষদের সাবেক প্রায় দুই ডজন নেতা গুরুত্বপূর্ণ পদ পেয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে নবগঠিত কমিটিকে পুর্ণাঙ্গ জেলা কমিটি গঠন করতে বলা হয়েছে।
বুধবার রাতে সংগঠনের কেন্দ্রীয় সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম এ কমিটির অনুমোদন দেন।
অনুমোদিত কমিটির প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব পাওয়া মো. ইউনুস শিকদার চৌহালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এবং প্রথম যুগ্ম সমন্বয়কারীর পদ পাওয়া মাহফুজা খানম চৌহালী উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ছিলেন। এ ছাড়াও সদস্যপদ পেয়েছেন চৌহালী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর সরকার, সাবেক সহসভাপতি মাওলানা মোজহারুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন, সাবেক সদস্য শাহিন মিয়া, এনায়েতপুর থানা বিএনপির সাবেক সদস্যসচিব নুরুল ইসলাম, খাষকাউলিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শহিদুর রহমান, বিএনপি নেতা আকবর আলী, নজরুল ইসলাম ও আহসান হাবীব দুলাল।
অপরদিকে, একই কমিটিতে এনায়েতপুর থানা গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সদস্যসচিব মাসুম শেখ, সাবেক আহ্বায়ক আলমাস সরকার, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হাসান বিশ্বাস, সাবেক যুগ্ম সদস্যসচিব হাফিজুল সিকদার, সুমন সরকার, ডা. আশরাফুল ইসলাম, জেলা যুবঅধিকার পরিষদের আনছার আলী, ছাত্রঅধিকার পরিষদ নেতা রিফাত সরকার ও ইয়াকুব আলী শেখ এনসিপিতে পদ পেয়েছেন।
এদিকে, নবগঠিত জেলা সমন্বয় কমিটি অনুমোদনের ১০ ঘণ্টার ব্যবধানে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন কমিটির ৫নং যুগ্ম সমন্বয়কারী বেলাল হোসেন সবুজ। বৃহস্পতিবার সকালে তিনি বলেন, আমার অনুমতি না নিয়েই কমিটিতে আমাকে পদ দেওয়া হয়েছিল। এই কমিটিতে থাকার কোনো ইচ্ছে না থাকায় এনসিপির কেন্দ্রী কমিটি বরাবর পদত্যাগপত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান বাচ্চু জানান, যারা এনসিপিতে যোগ দিয়েছেন তাদের সঙ্গে বিএনপির কোনো সম্পর্ক নেই। তারা ফ্যাসিস্ট আমলে নির্বাচনে সহযোগিতা করায় অনেক আগেই তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
