কিশোরগঞ্জ সদরে জমি দখল ও গাছ বিক্রির টাকা না দেওয়ার অভিযোগে থানা এবং জেলা প্রশাসক কার্যালয়ে পৃথক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, গাছের পাওনা টাকা চাইলে বিভিন্ন টালবাহানা ও দূরব্যবহার করা হচ্ছে। অন্যদিকে অন্য এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল ও গাছ কেটে নেওয়া হয়েছে।
কিশোরগঞ্জ সদরের মাইজখাপন কাঁচারীপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোছাঃ নিলুফা অভিযোগ করেছেন, গত ১৩ জুলাই নিজের বাড়ির ৬টি মেহগনি, ৩টি কাঁঠাল ও ১টি রেন্টি গাছ মোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করেন স্থানীয় কাঠ ব্যবসায়ী দিপু বেপারীর কাছে।
অভিযোগে বলা হয়, বায়না বাবদ ১৫ হাজার টাকা দিয়ে গাছ কেটে নিয়ে গেলেও বাকি ১ লাখ ৬৫ হাজার টাকা ফেরত দিতে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন ওই ব্যবসায়ী। পরে পাওনা টাকা চাইতে গেলে খারাপ আচরণ করার অভিযোগ তুলে কিশোরগঞ্জ মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী নিলুফা।
এদিকে একই এলাকার অন্য এক বাসিন্দা মোঃ নজরুল ইসলাম জমি দখল ও গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত আবেদন করেছেন।
অভিযোগে নজরুল ইসলাম জানান, নিজের জমিতে ঘরবাড়ি বানিয়ে দীর্ঘ দিন যাবত তিনি বসবাস করে আসছেন। তবে যুবলীগ নেতা আরিফুল হক উজ্জ্বলের নেতৃত্বে একদল লোক জোরপূর্বক তার জমিতে থাকা ৬টি কাঁঠাল গাছ, ২টি আম গাছ ও ৩টি সুপারি গাছ কেটে বিক্রি করে দেয় এবং দেয়াল নির্মাণে বাধা দেয়।
ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয় শালিসে অভিযুক্তদের ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হলেও তারা সেই টাকা পরিশোধ করেনি বলে দাবি ভুক্তভোগীর। স্থানীয় সমাধান না পেয়ে বিচার ও জমি মেপে বুঝিয়ে পাওয়ার জন্য তিনি জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।