মঙ্গলবার, নভেম্বর ৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নওগাঁয় অনিয়মের তথ্য চাইতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা

নওগাঁয় অনিয়মের তথ্য চাইতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা

নওগাঁয় অনিয়মের তথ্য চাইতে গিয়ে সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা

নওগাঁ সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে জাতীয় দৈনিক এদিন ও মোহনা টেলিভিশন এর অনলাইন নওগাঁ প্রতিনিধি শহিদুল ইসলামের ওপর হামলা  ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে অফিস সহকারী তারিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নওগাঁ সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা যায়, জীবিত এক ভাতাভোগীকে সরকারি নথিতে ‘মৃত’ দেখিয়ে তার ভাতা বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগের প্রেক্ষিতে তথ্য সংগ্রহ করতে সেখানে যান সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম। এ সময় নওগাঁ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান অফিসে উপস্থিত না থাকায় দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিস সহকারী তারিকুল ইসলামের কাছে বিষয়টি জানতে চান তিনি। জানতে চাইলে তারিকুল ইসলাম ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং সাংবাদিককে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। একপর্যায়ে তিনি শহিদুল ইসলামের ওপর হামলার চেষ্টা চালান এবং সংবাদ প্রকাশ করলে মামলা করার হুমকি দেন। এ সময় সাংবাদিকের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা করা হয় বলে জানা যায়।

সাংবাদিক শহিদুল ইসলাম বলেন, “জীবিত এক ভাতাভোগীকে মৃত দেখিয়ে ভাতা বন্ধ করার অভিযোগের বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করতে সেখানে যাই। তথ্য নেয়ার সময় নানা ধরনের গালিগালাজ করতে থাকেন পরে অফিসের বাইরে ভিডিও ধারণ করার সময় অফিস সহকারী তরিকুল আমাকে ভিডিও করা ও সংবাদ প্রকাশে বাধা দেন। কারণ জানতে চাইলে তিনি গালিগালাজ করেন এবং আমার ওপর হামলার চেষ্টা করেন। একই সঙ্গে আমার মোবাইল ও ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। পেশাগত কারনেই সেখানে গিয়েছিলাম কিন্তু এমন ঘটনা ঘটবে সেটি আমি প্রত্যাশা করিনি। আমি অফিস সহকারী তারিকুল এর বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক নূর মোহাম্মদ বলেন, “একজন সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।