শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আব্বা স্বপ্ন দেখতেন, আমি বড় ফুটবলার হবো: আজিজুল হাকিম

আব্বা স্বপ্ন দেখতেন, আমি বড় ফুটবলার হবো: আজিজুল হাকিম

আব্বা স্বপ্ন দেখতেন, আমি বড় ফুটবলার হবো: আজিজুল হাকিম

নিউজ ডেস্ক :

ফুটবলের প্রতি ভালোবাসার শুরু কোথা থেকে সে প্রসঙ্গে আজিজুল হাকিম বলেন, আমার ফুটবল খেলা শুরু স্কুলজীবন থেকে। স্কুলে ফুটবল খেলতাম, বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। আমাদের স্কুলে কাউসার স্যারের উৎসাহ ও তত্ত্বাবধানেই ফুটবল খেলতাম। সেই স্মৃতি আজও ভুলিনি। তখন আন্তঃস্কুল ফুটবল প্রতিযোগিতা হতো, সেখানে অনেক উৎসাহ নিয়ে অংশ নিতাম। এভাবেই ফুটবলের প্রতি আমার ভালোবাসা জন্ম নেয়। 

ফুটবল খেলার জন্য তার বাবার থেকেও অনেক উৎসাহ পেতেন জানিয়ে অভিনেতা বলেন, আমার আব্বা ফুটবল খেলার জন্য খুব উৎসাহ দিতেন। আব্বা স্বপ্ন দেখতেন, আমি বড় ফুটবলার হবো। সে সময় ফুটবল খেলার প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম তিনিই কিনে দিতেন। এতে আমি আরও উৎসাহ পেতাম। আব্বারও প্রিয় খেলা ছিল ফুটবল। ফুটবলের প্রতি এই ভালোবাসা আমি জেনেটিকভাবেই পেয়েছি। 

আজিজুল হাকিম বলেন, স্কুল পাস করে ঢাকার তিতুমীর কলেজে ভর্তি হই। সেখানে এসেও ফুটবল ছাড়িনি। বলা যায়, ফুটবলের প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হয়। তিতুমীর কলেজের ফুটবল দলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে যাই। এ সময় ফুটবলের প্রতি আমার আগ্রহ আরও বেড়ে যায়। তখন বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় অংশ নিতাম। 

তার কথায় উঠে আসে কলেজজীবনের স্মৃতিও। তিনি বলেন, তিতুমীর কলেজে আমার সহপাঠী ছিলেন নায়ক রুবেল। সাথী নামে একজন ছিলেন, গামাও ছিলেন। আবার স্কুলজীবনে মুন্না, আনোয়ার, চিও ও স্বপন আমাদের দলে ছিল। কলেজ জীবনে আমার আব্বা স্বপ্ন দেখতেন, একদিন তার ছেলে জাতীয় দলে খেলবে। 

ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবে যোগদান প্রসঙ্গে আজিজুল হাকিম বলেন, একদিন বাবা আমাকে মফিজ চাচার কাছে নিয়ে যান। মফিজ চাচা তখন ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের ম্যানেজার ছিলেন। তার সঙ্গে পরিচয় হওয়ার পর স্বপ্ন আরও বড় হতে থাকে। সে সময় আব্দুর রহিম ছিলেন কোচ। মফিজ চাচাই তার সঙ্গে আমার পরিচয় করিয়ে দেন। এভাবেই ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবে আমার খেলা শুরু হয়। 

সে সময়টায় ঢাকা স্টেডিয়ামে দর্শক কানায় কানায় ভরা থাকত বলে জানান তিনি। অভিনেতা বলেন, ‘গ্যালারি ভাগ হয়ে যেত। একদিকে আবাহনীর দর্শক, অন্যদিকে মোহামেডানের দর্শক। আমি আবাহনীর দর্শক ছিলাম, তবে অন্য দলের খেলাও পছন্দ করতাম। সে সময় প্রচুর খেলা দেখেছি।’ 

আজিজুল হাকিম বলেন, ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে তখন অনেক দলের বিপক্ষে খেলেছি। ওয়ারী, রহমতগঞ্জ, বিজিএমসি, ব্রাদার্স ইউনিয়নসহ অনেক দলের সঙ্গে খেলার সুযোগ হয়েছিল। বেশ কয়েক বছর ফার্স্ট ডিভিশনে ফুটবল খেলেছি। কত শত স্মৃতি যে মনে পড়ে! আমি ফরোয়ার্ড পজিশনে খেলতাম। 

ওই সময়টায় ঢাকা স্টেডিয়ামেই বেশি খেলতেন বলে জানান তিনি। আজিজুল হাকিম বলেন, সেই সময় ঢাকার ফুটবলের তারকা ছিলেন মঞ্জু ভাই, নান্নু ভাই, সালাহউদ্দিন ভাইসহ আরও অনেকে। 

আজিজুল হাকিম ১৯৭৫, ১৯৭৬ ও ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত  ভিক্টোরিয়া স্পোর্টিং ক্লাবের হয়ে ফার্স্ট ডিভিশনে খেলেছেন।  

পাশাপাশি তার ছেলেও ফুটবল খেলেন বলে জানান তিনি। তার ছেলে একজন ভালো ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন দেখে এবং তাকে এ বিষয়ে সবসময়ই উৎসাহ দেন বলে জানান গুণি এই অভিনেতা।