শনিবার, জুন ৬, ২০২৬
 শিরোনাম
মধ্যপ্রাচ্যে ২৭টি মার্কিন ঘাঁটিতে আইআরজিসির হামলা সুনামগঞ্জ-এর ছাতক থানা পুলিশের অভিযানে নিয়মিত মামলার ৩ আসামি গ্রেফতার শাহ আমানত বিমানবন্দরে মধ্যপ্রাচ্যের ১০ ফ্লাইট বাতিল এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ, দেশজুড়ে কর্মসূচি বঙ্গোপসাগরে জলদস্যু দমনে প্রযুক্তিনির্ভর কঠোর নজরদারি-টহল প্রতিমন্ত্রী হয়ে নিজ এলাকায় নুরুল হক ইয়াবা ব্যবসায়ীদের এলাকা ছাড়ার হুঁশিয়ারি: টেকনাফে এমপি শাহজাহান চৌধুরী নগরবাসীর নিরাপত্তায় মধ্যরাতে রাস্তায় আইজিপি: আকস্মিক পরিদর্শনে কড়া বার্তা পাকিস্তান সীমান্তে আফগানিস্তানের হামলা, কাবুল-কান্দাহারে পাল্টা হামলা ফোন করে জামায়াত আমিরের স্বাস্থ্যের খোঁজ নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

নেপালকে হারিয়ে টানা তৃতীয়বার সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

 নিউজ ডেস্ক : 

রুদ্ধশ্বাস এক লড়াইয়ে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়ে সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে পৌঁছে গেছে বাংলাদেশ। ভারতের গোয়ায় সেমিফাইনালের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে নেপালের আত্মঘাতী গোল বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে। তাতেই টানা তৃতীয়বার নারী সাফের ফাইনালে উঠল বাংলাদেশ নারী দল।

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শুরু থেকেই বেশ ছন্নছাড়া ছিল বাংলাদেশ। সেই সুযোগে ম্যাচের ২৩তম মিনিটে লিড নেয় নেপাল। দীপা শাহির নেওয়া কর্নার কিক থেকে গোল করে নেপালিদের এগিয়ে নেন গীতা রানি। ৩৬তম মিনিটে দ্বিতীয় গোল হজম করা থেকে অলৌকিকভাবে বেঁচে যায় লাল-সবুজ শিবির। নেপালের প্রীতি রাজের একটি দূরপাল্লার জোরালো শট গোলরক্ষক মিলি আক্তারের হাতে লেগে পোস্টে প্রতিহত হয়।পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। অবশেষে বিরতির বাঁশি বাজার ঠিক আগমুহূর্তে অবিশ্বাস্য এক গোল করেন ঋতুপর্ণা চাকমা। কর্নার কিক থেকে সরাসরি বাঁকানো শটে নেপালের জালে বল পাঠিয়ে দলকে ১-১ সমতায় ফেরান তিনি।

বিরতির পর দুই দলই জয়ের নেশায় মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালাতে থাকে। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই অল্পের জন্য দ্বিতীয় গোল হজম থেকে বাঁচে বাংলাদেশ। নেপালের রেখা গোলকিপারকে ফাঁকি দিয়ে বল ফাঁকা জালের দিকে ঠেলে দিলেও তা পোস্টে লেগে দিক পরিবর্তন করে। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে নেপালের সারু লিম্বুর একটি বাঁকানো শট গোলপোস্টের সামান্য ওপর দিয়ে চলে গেলে আবারও রক্ষা পায় বাংলাদেশ। ৭৮ মিনিটে গোল করার সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাগরিকা। তবে নেপাল অধিনায়ক গোলকিপার সুব্বা লাফিয়ে উঠে ঘুষি মেরে সাগরিকার শটটি ফিরিয়ে দেন।অবশেষে ম্যাচের যোগ করা সময়ে ভাগ্য সহায় হয় বাংলাদেশের। শামসুন্নাহার জুনিয়রের একটি পাস ছিল সাগরিকার উদ্দেশে। সাগরিকার চাপে নেপালের রক্ষণভাগ তালগোল পাকিয়ে ফেলে এবং আত্মঘাতী গোল দিয়ে বসে। এই গোলেই ২-১ ব্যবধানের জয় নিয়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে পিটার বাটলারের শিষ্যরা।