রুবিনা আলমগীর। সময়ের আলোচিত নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী, লেখক ও সংগঠক৷ পুতুল খেলার বয়স থেকেই সংস্কৃতির ঝলমলে ভুবনে ২০০৬ থেকে তার পথচলা। চলচ্চিত্র, টেলিভিশন ও মঞ্চ সব মাধ্যমেই নিজেকে তুলে ধরতে সক্ষম হয়েছেন। নাটক, ওয়েব ফিল্ম, শর্টস্ ফিল্ম ও মিউজিক্যাল ফিল্মে কাজ করেছেন।
টেলিভিশনে উল্লেখযোগ্য নাটক- হোটেল নিরিবিলি, টেস্টি ট্যুর ইত্যাদি। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির তালিকা ভুক্ত নৃত্যশিল্পী হবার মাধ্যমে। পেয়েছেন রাষ্ট্রিয় নৃত্যশিল্পীর স্বীকৃতি। এবং তিনি বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমীর লোক সংগীতে সনদপত্র প্রাপ্ত কন্ঠশিল্পী। ‘রাজত্ব’ সিনেমার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তার অভিষেক হয়। পরবর্তীতে কাজ করেন বাজি, কবি, আমার শেষ কথা, ফুলজান, সুস্বাগতম ইত্যাদি। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে "আজান" ও "পাহাড়ি মেয়ে" নামের দুটি চলচ্চিত্র। তিনি নিজের লেখা ৩টি গান সহ একাধিক কভার সং গেয়েছেন। সবগুলোই তার নিজস্ব ইউটিউব চ্যানেল "Rubina Alomgir" এ মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে নিজের কন্ঠে গাওয়া ৫টি গান ও তার নিজ সংগঠন নিয়ে লেখা ১টি গান। অমর একুশে বইমেলা ২০২৪ ও ২০২৫। প্রকাশিত হয়েছে তার লেখা 'সত্য ঘটনা অবলম্বনে দুটি উপন্যাস 'আত্মকান্না' ও 'দীর্ঘশ্বাস'। নাচ এবং গান কোনটাকে বেশি প্রাধান্য দেন?
উত্তরে তিনি বলেন, নাচ ও গান ২টি আমার শরীরের ২টি অঙ্গ। কোনটাকে ফেলে কোনটাকে বাদ দিতে পারব না। যদিও ছোট থেকে নাচ ও গান দুটাই আমাকে জুরে ছিলো। কিন্তু গানটা করি নিতান্তই শখের বশে। কাজের স্বীকৃতি হিসেবে শতাধিক সম্মাননা ও পুরস্কার পেয়েছে৷ সম্প্রতি "অনুরাগ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন" নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেছে। এটা তার দীর্ঘদিনের পরিকল্পনার ফসল। অল্প সময়েই সংগঠনটি আলোচনায় চলে এসেছে। আগামী ২৩ জানুয়ারি অনুরাগ সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন আয়োজন করেছে বর্ষবরণ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের।এতে উপস্থিত থাকবেন দেশের বরেণ্য ব্যক্তি ও তারকা শিল্পীবৃন্দ। প্রতিভায় ঝর্ণাধারায় শোবিজের রঙ্গিন ভুবনে আরো দীর্ঘ পথ পাড়ি দিক রুবিনা আলমগীর দুই দশকের ক্যারিয়ারে এটাই প্রত্যাশা।
-1767943644.jpeg)